বানান হয়ে ওঠা সময়

বাংলাদেশের মত একটা পোস্ট কলোনিয়াল সোসাইটিতে রাজনৈতিক সিনামাটা আসলে কোথায় আছে ? — অধ‍্যাপক ড. নাদির জুনাইদ

104
2372 views

‘এইখানে আমি দাঁড়িয়ে আজকে যে কথাগুলো বলতে চাই, এটা মোর লাইক অ্যা কনভারসেশন উইথ ইউ । মোর লাইক শেয়ারিং মাই আইডিয়াস উইথ ইউ আবউট দা কম্পোনেন্স অফ পলিটিক্স, পলিটিকাল সিনেমা । ওর দা ভের‍ি কম্পোনেন্স হোইস কন্সটিটিউট পলিটিকাল সিনেমা এন্ড দা কমপ্লেক্সসিটি বিটোইন দা রিলেশনশিফ অফ সিনেমা এন্ড পলিটিক্স । এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি আপনাদের সাথে আজকে খোলামেলা আলাপ করতে চাই ।’ —  ড. নাদির জুনাইদ  

“সিনেমা ও রাজনীতি” বিষয়ে বয়ান দেন অধ‍্যাপক ড. নাদির জুনাইদ ।  ৫ মে, শুক্রবার, ২০১৭ বিকালে বিড়ালপাখি মজমার ১১ তম আসরে । বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকার সিনেপ্লেক্সে এই আসর আয়োজন করেন বিড়ালপাখি সিনে ক্লাবের (Biralpakhi Cine Club ) । তাঁদের ফেইসবুক পেইজে ‘সিনেমা ও রাজনীতি’ আলোচনার বিষয় মাথায় রেখে লিখেন —

“রাজনৈতিক সিনেমা কী? কিম্বা সিনেমা কখন পলিটিকাল হইয়া উঠে?

কেউ বলবেন, সব সিনেমাই রাজনৈতিক। এমনকি মুনাফা নিশ্চিত করার জন্য ফরমুলা মাইনা যেই চকচকে-চটকদার সিনেমা, সেইটাও। কারণ সেখানেও ঘাপটি মাইরা থাকে কোনো গোষ্ঠীর আইডিওলজি।
কিন্তু যে সিনেমা অডিয়েন্সকে খালি সহজপাচ‍্য ভাবরসে মজাইতে চায়, আর সমাজে বিদ্যমান শোষণ কিম্বা তার রাজনৈতিক অভিসন্ধি ঢাইকা রাখতে চায় ছলেবলে, শুধু আইডিওলজি থাকার কারণেই কি তারে পলিটিকাল সিনেমা বলা জায়েজ?
কেউ হয়তো বলবেন, রাজনৈতিক স্লোগান বা ঘটনা হাজির করলে সিনেমা পলিটিকাল হয়। আবার এমন সিনেমাও তো বাজারে হাজির আছে যা সিস্টেমের জরুরি/দরকারি সমস্যা মনে করায়া আপনার মধ্যে তৈরি করবে রাজনৈতিক সচেতনতা; কিম্বা অস্বস্তি।
তাইলে সম্পূরক প্রশ্ন জাগে মনে: সেই সিস্টেম-বিরোধী সিনেমার সাথে মুনাফাপিয়াসী বা স্লোগান-আয়াসী সিনেমার মিল বা তফাত কোথায়?

সিনেমাটিক ভাষা বা নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে সিস্টেমের চিন্তাধারার বিপরীতে কিভাবে যাওয়া সম্ভব? কনটেন্ট ছাড়াও সিনেমার ফর্ম কেমনে সিনেমারে রাজনৈতিক কইরা তুলতে ভূমিকা রাখে?

বিড়ালপাখির এগারোতম মজমায় আমরা সিনেমা আর রাজনীতির জটিল সম্পর্কের খোসা ছাড়াবো, আলাপ করবো, ওপেন বয়ান মারফত।”

এই মজমা পরিচালনা করেন নির্মাতা ইশতিয়াক জিকো । প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের আলাপ বানান এইখানে ভিডিওতে প্রচার করছে আগ্রহীরা দেখবেন আশায় ।



ড. নাদির জুনাইদের পরিচয় । উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ‍্যাপক। এই বিভাগ থেকেই উচ্চশিক্ষার প্রথম পাঠ। ফলাফল সবখানেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম। কমনওয়েলথ স্কলারশিপ নিয়া গেছেন বিলাতে। দ্বিতীয় এমএ ডিগ্রি তাঁর ফিল্ম স্টাডিজে। লন্ডনের কিংস কলেজ থেইকা। তারপর এনডেভার স্কলারশিপে পিএইচডি করছেন অস্ট্রেলিয়ায়। ইউনিভার্সিটি অফ নিউ সাউথ ওয়েলস থেইকা। পিএইচডি গবেষণার বিষয়: বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পলিটিকাল সিনেমা।

খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে পড়াইছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অধ্যয়ন বিভাগ, সংগীত বিভাগ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে। রাজনৈতিক এবং প্রথাবিরোধী সিনেমা নিয়া তাঁর প্রকাশিত বই তিনটা।


You Might Be Interested In

LEAVE A COMMENT